লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত উপজেলা উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে কোরআনের শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা। এ সময় তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিজের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেন, বক্তব্যের সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট উপস্থাপন না করে কেবল একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপ প্রচার করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, পুরো বক্তব্য না শুনে বা যাচাই না করে এমন ভিডিও প্রচার জনমনে ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দিতে পারে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দিতে পারে বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে—এমনভাবে প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তারা এ ধরনের ভিডিও প্রচারের নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের সম্পূর্ণ বক্তব্য যাচাই করে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।
এলাকাবাসীর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো বক্তব্য বা ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি ও সামাজিক অস্থিরতার সৃষ্টি না হয়।