বিরল প্রজাতির সাপ

জঙ্গলে হাটতে গিয়ে দেখা মিলল বিরল প্রজাতির সাপ, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

সৃষ্টিকর্তার পৃথিবীতে কত রকমের প্রাণী এবং জীবজন্তু দেখা যায়। এদের গায়ের রং থেকে শুরু করে হাবভাব, চালচলন, খাদ্যাভ্যাস, সবটাই সম্পূর্ণ আলাদা। তবুও তাদের সহাবস্থান বলে দেয় পৃথিবীতে সবই সম্ভব। তাদের সৌন্দর্য নেহাত কম নয়।

সাপ, মানুষ সহ অন্যান্য প্রাণীদের কাছে সবথেকে ভয়ানক প্রাণী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই সাপেরই বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে যাদের দেখলে চোখ ফেরানো যাবে না। তাদের সৌন্দর্য এতটাই বেশি যে, সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

গ্রীন ভাইন স্নেক, এদের এশিয়ান ভাইন স্নেকও বলা হয়। সৌন্দর্যের দিক থেকে অন্যান্য সাপের থেকে কার্যত এক কাঠি উপরে গ্রীন ভাইন স্নেক। এই সাপ প্রকৃতিপ্রেমী ফটোগ্রাফারদের আকর্ষণ করে। গ্রীন ভাইন স্নেক একেবারে সরু লতার মতো দেখতে।

এদের পাতলা শরীর, সরু মাথা আর কচি কলাপাতা রঙের দেহাবরনের উপর সাপটির পিঠের উপর সাদা কালো ডট ডট দাগ লক্ষণীয়। পেট এবং লেজের প্রতিটি পাশে একটি সরু হলুদ-সাদা ডোরা কাটা থাকে।

এরা কোনভাবে বিরক্ত হলে বা ভয় পেলে তার দেহ প্রসারিত করে এবং মুখ খুলে আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠে। ব্লু রেসার স্নেক, পৃথিবীর কয়েকটি প্রজাতির নীল সাপের মধ্যে একটি। এটি সুপরিচিত উত্তর আমেরিকান রেসারের একটি উপপ্রজাতি।

এরা সাধারণত ফ্যাকাশে নীল বা নীল সবুজ সাদা রঙের হয়। এরা দৈর্ঘ্যে প্রায় দুই মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ব্লু রেসার স্নেক রকি পর্বতমালার তৃণভূমি, মাঠ, সাভানা এবং খোলা বনভূমিতে বাস করে।

তবে কিছু কিছু ব্লু রেসার স্নেক দেখতে পাওয়া যায় মেক্সিকোতে। এদের সৌন্দর্য সত্যিই চোখে পরার মত। ইস্টার্ন কোরাল স্নেক, এরা দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৮-৩০ ইঞ্চি হয়। ইস্টার্ন কোরাল স্নেকের সবচেয়ে সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য হল লাল, হলুদ এবং কালো রিংগুলির শরীরের উপর উজ্জ্বল ভাবে থাকে। এদের সৌন্দর্য সত্যিই চোখে পরার মত।

এরা বেশিরভাগ সময় ভূগর্ভস্থ স্থানে থাকার কারণে খুব একটা চোখে পড়ে না। উত্তর ক্যারোলিনা থেকে লুইসিয়ানা পর্যন্ত দক্ষিণ উপকূলীয় সমভূমিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অঞ্চলে এদের দেখা মেলে। সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা মিলেছে উপরিউক্ত তিন প্রকার সৌন্দর্যের অধিকারী সাপের। এদের মধ্যে প্রত্যেককে কেউ কারো থেকে সৌন্দর্যের দিক থেকে কম যায় না।