• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধে বণিক সমিতির বর্ণাঢ্য প্রচারণা লক্ষ্মীপুরে ৫৬ কোটি টাকার ওয়াশ ব্লক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পৌর ১নং ওয়ার্ডে অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার নিল যুব সংগঠন সূর্যমুখী চাষে বিপ্লব, আবাদ বাড়ায় রায়পুরের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা রায়পুরে বিদ্যালয়ের ছাদ ধ্বসে শিক্ষার্থী আহত রায়পুরে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি রায়পুরে তেলবাহী গাড়ি এলেও সংকট কাটেনি—দীর্ঘ লাইনে চালকরা, উচ্চ দামে বিক্রির অভিযোগ ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছে, সরকারি-বেসরকারি তথ্যে বড় ব্যবধান রায়পুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি কলেজে ফিরলেন ’৯৩ ব্যাচ, পুরনো দিনের গল্পে জমলো ঈদ পুনর্মিলনী

রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার

medianewsbd / ২৩৩ Time View
Update : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে নদীর পাড় মসজিদের কাছেই ডাকাতিয়া নদী কোল ঘেঁষে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী ছালেহা বেগম। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তার একমাত্র চাওয়া—মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ ঘর। প্রায় দুই দশক আগে স্বামীকে হারান ছালেহা। কোনো সন্তান না থাকায় স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই শুরু হয় তার নিঃসঙ্গ লড়াই। নেই নিজের জমি, নেই কোনো স্থায়ী আশ্রয়। স্থানীয় রুবেল নামের এক সহৃদয় ব্যক্তির দেওয়া একটি পরিত্যক্ত, জরাজীর্ণ ঘরের কোণেই তার বসবাস। ভাঙা টিনের চাল, সুপারি পাতার বেড়া আর মাটির মেঝে—এই সামান্য আশ্রয়ই এখন তার সব। সেই এক চিলতে ঘরেই রান্না, খাওয়া আর ঘুম। শীতের কনকনে ঠান্ডা, গ্রীষ্মের দাবদাহ কিংবা বর্ষার ঝড়বৃষ্টি—সবই সহ্য করতে হয় তাকে। গত বছরের জলোচ্ছ্বাসে নদীর পানি ঘরে ঢুকে পড়লে সারারাত পানির মধ্যে বসে কাটাতে হয়েছিল। সেই পানিতে ভিজে তার পায়ে ঘা হয়, যা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেনি।

মিডিয়া নিউজের প্রতিবেদকের ডাক শুনে সুপারি পাতার বেড়া সরিয়ে ধীরে ধীরে বাইরে আসেন ছালেহা। ক্লান্ত চোখে তাকিয়ে বলেন, বাবা, আমার তো আর কেউ নাই। একটা ঘর পাইলে বাকি জীবনটা শান্তিতে কাটাইতে পারতাম। এখন রাত হলেই ভয় লাগে—কখন ঘরটা পড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃদ্ধা ছালেহা চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেক সময় দুবেলা খাবারও জোটে না। প্রতিবেশীরা কখনো খাবার দিলে তবেই তার চুলায় আগুন জ্বলে। তারা বলেন, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি তার জন্য একটি ছোট ঘরের ব্যবস্থা হতো, তাহলে অন্তত জীবনের শেষ সময়টা নিরাপদে কাটাতে পারতেন।

এলাকাবাসীর মতে, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে ছালেহার মতো একজন অসহায় বৃদ্ধার মুখে হাসি ফোটানো কঠিন কিছু নয়। একটি ছোট ঘরই তার স্বপ্ন, একটি নিরাপদ আশ্রয়ই তার শেষ আশা।

নদীর পাড়ে ভাঙাচোরা সেই ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ছালেহার কণ্ঠে শোনা যায় দীর্ঘশ্বাস মেশানো আর্তনাদ, আমার আর বেশি কিছু লাগে না বাবা, একটা ঘর হলেই হইবো।

মানবিক সমাজ গঠনে এমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ছালেহার মতো আরও অনেক অদেখা মানুষের জীবনে একটু আলো পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে সচেতন সালেহাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:

মিল্লাত  01886968899

বিকাশ  018 3794 1111


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category