শিরোনাম:
সুপারি চুরির অভিযোগে প্রতিবন্ধী যুবককে মারধর, পাল্টা হামলা-লুটপাটের অভিযোগে থানায় এজহার রায়পুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জেড.এম. নাজমুল ইসলাম মিঠুকে চান ইসমাইল হোসেন রায়পুরে কেরোয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে নজরুল ইসলাম ও শাহ আলমের দলীয় মনোনয়ন জমা দুই এডভোকেটের মনোনয়ন জমা, দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় চরপাতা বিএনপি শিশুর অপরাধ কী? কারাগারে কেটে গেল সাত বছরের শৈশব আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে: আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি আনন্দ-উৎসবে রায়পুর ১০নং ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসভা, ঢাকঢোল ও বর্ণাঢ্য মিছিলে প্রার্থীরা রায়পুরে নতুন রেললাইন স্থাপনের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরে দক্ষিণ চর আবাবিলে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমু‘র হোসেনের মনোনয়ন ফরম জমা রায়পুরে কেরোয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে জহির হাজীর মনোনয়ন জমা

গাজায় থার্মাল অস্ত্রের ভয়াবহতা: আল জাজিরার অনুসন্ধানে ‘বাষ্পীভূত’ অন্তত ২,৮৪২ ফিলিস্তিনি

medianewsbd / ৬২০ Time View
Update : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজারো ফিলিস্তিনির দেহাবশেষের কোনো চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না—এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত থার্মাল ও থার্মোবারিক (ভ্যাকুয়াম) অস্ত্র ব্যবহারের ফলে প্রায় তিন হাজার ফিলিস্তিনির দেহ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে বা বাষ্পীভূত হয়ে গেছে।

২০২৪ সালের ১০ আগস্ট ভোরে গাজা শহরের আল-তাবিন স্কুলে ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপে ছেলেকে খুঁজতে বের হন ইয়াসমিন মাহানি। কিন্তু কোথাও পাননি তার সন্তান সাদকে। মাহানি বলেন, ‘আমি মসজিদে ঢুকে দেখি রক্ত আর মাংসের ওপর পা পড়ছে। কিন্তু সাদের দেহাবশেষের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাইনি।’ দাফনের মতো নিথর দেহের কোনো অংশ না পাওয়াটাই ছিল সবচেয়ে কষ্টের।

আল জাজিরা আরবির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজার সিভিল ডিফেন্স অন্তত ২ হাজার ৮৪২ জন ফিলিস্তিনিকে ‘বাষ্পীভূত’ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় রক্তের ছিটা বা অল্প কিছু দেহাবশেষ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, ‘আমরা লক্ষ্যবস্তু ভবনে প্রবেশ করে বসবাসকারীর সংখ্যা ও উদ্ধার হওয়া মরদেহ মিলিয়ে দেখি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও যদি কোনো দেহ না পাওয়া যায়, তখন তাকে “বাষ্পীভূত” বা বাতাসে মিশে গেছে বলে ধরে নেওয়া হয়।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্মোবারিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ৩ হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ সৃষ্টি হয়। রুশ সামরিক বিশ্লেষক ভাসিলি ফাতিগারভ বলেন, ‘এই অস্ত্র শুধু হত্যা করে না, বস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।’ এসব বোমায় অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো ধাতু ব্যবহারে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. মুনির আল-বুরশ বলেন, ‘মানবদেহের প্রায় ৮০ শতাংশই পানি। ৩ হাজার ডিগ্রির বেশি তাপ ও প্রচণ্ড চাপে দেহের তরল অংশ সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠে এবং কোষ বাষ্পে পরিণত হয়।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এমকে-৮৪, বিএলইউ-১০৯ ও জিবিইউ-৩৯–এর মতো বোমা ব্যবহৃত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব অস্ত্রের ব্যবহার গাজায় মানবিক বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

আলজাজিরা:-

https://www.aljazeera.com/features/2026/2/10/israel-used-weapons-in-gaza-that-made-thousands-of-palestinians-


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category