• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি ‘জমি মন্দিরের’ রায়পুরে খাল খননে উচ্ছেদ অভিযানে দোকান হারিয়ে দুশ্চিন্তায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রায়পুর এইচআরসি স্মার্ট স্কুলে ছবক প্রদান, দোয়া অনুষ্ঠান ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত রায়পুরে মানবেতর জীবনযাপন: জরাজীর্ণ ঘরে অসুস্থ স্ত্রী ও অন্ধ ছেলেকে নিয়ে চার সদস্যের পরিবারের আহাজারি ফলিত পুষ্টি জ্ঞান ও রন্ধন কৌশল সম্প্রসারণে স্মলহোল্ডার রেইঞ্জ প্রকল্পের ৯০ জন কৃষাণীকে প্রশিক্ষণ রায়পুরে হাঁটার পথ এখন বাজার ও পার্কিং, ঝুঁকিতে সড়কে পথচারীরা মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা নিয়ে রায়পুরে নাইট ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে রায়পুরে স্বাস্থ্য বিভাগের সচেতনতামূলক র‍্যালি ও সমাবেশ রায়পুরে বিশেষ অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার জমি বিরোধের জেরে সীমানা দেয়াল ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

গাজায় থার্মাল অস্ত্রের ভয়াবহতা: আল জাজিরার অনুসন্ধানে ‘বাষ্পীভূত’ অন্তত ২,৮৪২ ফিলিস্তিনি

medianewsbd / ৪১৫ Time View
Update : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজারো ফিলিস্তিনির দেহাবশেষের কোনো চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না—এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত থার্মাল ও থার্মোবারিক (ভ্যাকুয়াম) অস্ত্র ব্যবহারের ফলে প্রায় তিন হাজার ফিলিস্তিনির দেহ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে বা বাষ্পীভূত হয়ে গেছে।

২০২৪ সালের ১০ আগস্ট ভোরে গাজা শহরের আল-তাবিন স্কুলে ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপে ছেলেকে খুঁজতে বের হন ইয়াসমিন মাহানি। কিন্তু কোথাও পাননি তার সন্তান সাদকে। মাহানি বলেন, ‘আমি মসজিদে ঢুকে দেখি রক্ত আর মাংসের ওপর পা পড়ছে। কিন্তু সাদের দেহাবশেষের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাইনি।’ দাফনের মতো নিথর দেহের কোনো অংশ না পাওয়াটাই ছিল সবচেয়ে কষ্টের।

আল জাজিরা আরবির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজার সিভিল ডিফেন্স অন্তত ২ হাজার ৮৪২ জন ফিলিস্তিনিকে ‘বাষ্পীভূত’ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় রক্তের ছিটা বা অল্প কিছু দেহাবশেষ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, ‘আমরা লক্ষ্যবস্তু ভবনে প্রবেশ করে বসবাসকারীর সংখ্যা ও উদ্ধার হওয়া মরদেহ মিলিয়ে দেখি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও যদি কোনো দেহ না পাওয়া যায়, তখন তাকে “বাষ্পীভূত” বা বাতাসে মিশে গেছে বলে ধরে নেওয়া হয়।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্মোবারিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ৩ হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ সৃষ্টি হয়। রুশ সামরিক বিশ্লেষক ভাসিলি ফাতিগারভ বলেন, ‘এই অস্ত্র শুধু হত্যা করে না, বস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।’ এসব বোমায় অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো ধাতু ব্যবহারে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. মুনির আল-বুরশ বলেন, ‘মানবদেহের প্রায় ৮০ শতাংশই পানি। ৩ হাজার ডিগ্রির বেশি তাপ ও প্রচণ্ড চাপে দেহের তরল অংশ সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠে এবং কোষ বাষ্পে পরিণত হয়।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এমকে-৮৪, বিএলইউ-১০৯ ও জিবিইউ-৩৯–এর মতো বোমা ব্যবহৃত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব অস্ত্রের ব্যবহার গাজায় মানবিক বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

আলজাজিরা:-

https://www.aljazeera.com/features/2026/2/10/israel-used-weapons-in-gaza-that-made-thousands-of-palestinians-


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category