শিরোনাম:
রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস আত্মসাতকৃত ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা রায়পুরের কাঁটাতারের বেড়ায় সংকুচিত হাঁটার পথ, ভোগান্তিতে প্রায় ৩৫ পরিবার রায়পুরে কেরোয়ায় শিক্ষার্থীদের দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ রায়পুরের চরবংশীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন রায়পুরের সাজু মোল্লার ঘাটে উদ্বোধন হলো ‘পরিচ্ছন্ন প্রাঙ্গণ’ রায়পুরে অটোরিকশার দাপটে যানজট, নিয়ন্ত্রণে নেই কার্যকর উদ্যোগ রায়পুরে শুভ মহালয়া উপলক্ষে সনাতনী সর্বোত্তমের তৃতীয় বর্ষের আয়োজন রায়পুরে শনিবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, যেসব এলাকায় থাকবে না হেরে গেলেও অংশগ্রহণ ও লড়াকু পারফরম্যান্সে প্রশংসা ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯০২

রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস আত্মসাতকৃত ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা

medianewsbd / ২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের আত্মসাতকৃত ১২ লাখ ৭ হাজার ৯শ’ ১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) মোঃ নকিব হোসেন শান্ত এ টাকা জমা করেন। সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরের হিসাব তত্ত্বাবধায়কের অডিটে তাদের আত্মসাতের ঘটনাটি বেরিয়ে আসে। দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। দপ্তরগুলোতে আদান-প্রদানকৃত চিঠির কপি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের চান্দিনা ভিটির একসনা লীজমানি বাবদ ১ লক্ষ ৯ হাজার একশ’ ৩০ টাকা ও ভি.পি লীজমানির নথি বাবদ ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭শ’ ৮০ টাকা আদায় করে কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজেরা আত্মসাত করেছিলেন। এরপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসককে টাকা উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। লক্ষ্মীপুরের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টবর মো. হাবিবুর রহমান গত ৪ অক্টোবর এক পত্রে রায়পুরের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করত: অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন।

রায়পুরের সদ্য বিদায়ী সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুতলানা গত ৯ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম (বর্তমানে রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত) ও সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) মোঃ নকিব হোসেন শান্তকে টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই চিঠিতে সরকারি টাকা যথাসময়ে কোষাগারে জমা না করার কারণে কেনো তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা-২০১৮ এর ৩ ধারা এর উপধারা (ঘ) (ই) মতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য জবাব দিতে বলেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্মীপুরের হিসাব তত্ত্বাবধায়ক মো. মনজুরুল আলম গত ৯ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরিত পত্রে উল্লেখ করেন, দুটি ডিসিআর বইয়ের মাধ্যমে জাহাঙ্গীর আলম ওই টাকা আদায় করেন। এ টাকা আত্মসাতের সাথে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) মো. নকিব হোসেন শান্ত’র যোগসাজস রয়েছে। নকিব হোসেন আদায়ের ও জমার বিষয়ে উধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জুলাই-২০২৫ হতে জুন-২০২৬ পর্যন্ত সময়ে মিথ্যা বিবরণী দাখিল করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আত্মসাতে সহযোগিতা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার গিয়েও জাহাঙ্গীর আলমকে তাঁর কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। বার বার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি।

সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) মোঃ নকিব হোসেন শান্ত বলেন, জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্বাস করে আমি প্রতিমাসের টাকা প্রতিমাসে জমা হয়েছে মর্মে উপজেলা ও জেলা কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেই। আমি কোনো টাকা আত্মসাত করিনি। আমি আমার নোটিশের জবাব দিয়েছি। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী বিষয়টি দেখবেন।

রায়পুরের সদস্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, টাকা ইতিমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসানকে ফোন ও মেসেজ দেওয়া হলেও তাঁরা কোনো উত্তর দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category