শিরোনাম:
১৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ধীরগতি, ঠিকাদারের গাফিলতিতে বাড়ছে জনদুর্ভো রায়পুরে পাউবোর জায়গার ১২টি রেন্ট্রি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ রায়পুরে জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ১৩ ড্রেজারে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, ভাঙন আতঙ্কে মেঘনাপাড়ের মানুষ রায়পুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এতিম-দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ রায়পুরে পানের উৎপাদন বাড়লেও দাম কম, হতাশ চাষিরা রায়পুরে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে রায়পুরে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ, আহত ২; পুলিশ হেফাজতে রাজু রায়পুরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন রায়পুরে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরকে মডেল উপজেলা করার প্রত্যয় এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার

১৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ধীরগতি, ঠিকাদারের গাফিলতিতে বাড়ছে জনদুর্ভো

medianewsbd / ৪৩ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
Screenshot

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে হায়দরগঞ্জ-রায়পুর সড়কের পৌরসভা অংশে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজে আবারও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ নির্মাণকাজের কারণে সড়কের ওপর মাটির স্তূপ জমে থাকায় সংকুচিত হয়ে পড়েছে চলাচলের পথ। এতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেন নির্মাণের জন্য মাটি উত্তোলনের পর গভীর রাতে ট্রাকে করে সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বাধা দিলে অবশিষ্ট মাটি রাস্তার ওপর ফেলে রাখা হয়। এ ছাড়া নির্মিত ড্রেনের পাশে ছোট-বড় অনেক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত ভরাট না করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ তাঁদের।

এ বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুন্নবী এক মাস আগে গর্তগুলো ভরাট করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অন্যদিকে সড়কের ওপর মাটির স্তূপ পড়ে থাকায় চলাচলের পথ সরু হয়ে গেছে। ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, প্রকল্পের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। মাত্র দুই থেকে তিনজন শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এভাবে কাজ চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরেও প্রকল্পের কাজ শেষ হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে তাঁদের।

তাঁদের ভাষ্য, প্রকল্পের কাজ উদ্বোধনের পর থেকেই কখনো থেমে থেমে, আবার কখনো কয়েক দিন বন্ধ রেখে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও কাজের গতি বাড়েনি। মাঝেমধ্যে দুই-চার দিন কাজ বন্ধ থাকায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

এ অবস্থায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ১৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে কি না। তাঁদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণে উন্নয়নকাজে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। বারবার সতর্ক করার পরও কার্যকর অগ্রগতি না থাকায় প্রশাসনের তদারকি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সড়কের ওপর পড়ে থাকা মাটি অপসারণ, ড্রেনের পাশের গর্তগুলো ভরাট এবং নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মাটি বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category