• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে খাল খননে উচ্ছেদ অভিযানে দোকান হারিয়ে দুশ্চিন্তায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রায়পুর এইচআরসি স্মার্ট স্কুলে ছবক প্রদান, দোয়া অনুষ্ঠান ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত রায়পুরে মানবেতর জীবনযাপন: জরাজীর্ণ ঘরে অসুস্থ স্ত্রী ও অন্ধ ছেলেকে নিয়ে চার সদস্যের পরিবারের আহাজারি ফলিত পুষ্টি জ্ঞান ও রন্ধন কৌশল সম্প্রসারণে স্মলহোল্ডার রেইঞ্জ প্রকল্পের ৯০ জন কৃষাণীকে প্রশিক্ষণ রায়পুরে হাঁটার পথ এখন বাজার ও পার্কিং, ঝুঁকিতে সড়কে পথচারীরা মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা নিয়ে রায়পুরে নাইট ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে রায়পুরে স্বাস্থ্য বিভাগের সচেতনতামূলক র‍্যালি ও সমাবেশ রায়পুরে বিশেষ অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার জমি বিরোধের জেরে সীমানা দেয়াল ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি রায়পুরে শিশু ফারাবি হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে স্থবির রায়পুরের সেচ প্রকল্প, বিপাকে দুই শতাধিক চাষি

medianewsbd / ৪৫৯ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উদমারা গ্রামে বিএডিসি সেচ প্রকল্পের পানি সরবরাহ ড্রেন কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ২ শতাধিক কৃষকের চাষাবাদ।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) নাসির উদ্দীন চেয়ারম্যান সেচ ব্যবস্থাপনার ড্রেন গত বৃহস্পতিবার সকালে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক মেম্বার আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে। সেচ নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ঘটনার সূত্রপাত।

নাসির উদ্দিন সেচ ব্যবস্থাপনার স্কিম ম্যানেজার মোশাররফ হোসেন ফয়সাল অভিযোগ করেন, তিনি বিগত পাঁচ বছর ধরে বৈধভাবে বিএডিসির নাসির উদ্দীন চেয়ারম্যান সেচ লাইন পরিচালনা করে আসছেন। সম্প্রতি একই এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আবদুল আজিজ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর সেচ প্রকল্প দখলের চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই অভিযুক্ত ব্যক্তি জোরপূর্বক সেচ লাইনের মাটির ড্রেন কেটে ফেলেন। ফলে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই শতাধিক কৃষক বোরো ধান রোপণ করতে পারছেন না।

কৃষক শাহ আলম মাতাব্বর, মো. মুসলিম, আব্দুল মন্নান, জামাল উদ্দিন সেচের ড্রেন কাটায় আজিজ মেম্বারকে দোষারোপ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি তাঁরা ফয়সালের ব্যবস্থাপনায় পানি পেতে চান।

অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল আজিজ বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সঠিক নয়। আগে ফয়সালের বাবা অন্যায়ভাবে আমার সেচ এলাকা দখল করেছেন। চাষিরা তাদের সেচ প্রকল্প ব্যবহারে অনিচ্ছুক। তাই চাষীরাই ফয়সালের বাবার দখল করা ড্রেনের একাংশ বন্ধ করে নিজেদের জমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলাম বলেন , দুটি প্রজেক্ট একই স্ক্রিমের আওতা রয়েছে, এবিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category