শিরোনাম:
সুপারি চুরির অভিযোগে প্রতিবন্ধী যুবককে মারধর, পাল্টা হামলা-লুটপাটের অভিযোগে থানায় এজহার রায়পুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জেড.এম. নাজমুল ইসলাম মিঠুকে চান ইসমাইল হোসেন রায়পুরে কেরোয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে নজরুল ইসলাম ও শাহ আলমের দলীয় মনোনয়ন জমা দুই এডভোকেটের মনোনয়ন জমা, দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় চরপাতা বিএনপি শিশুর অপরাধ কী? কারাগারে কেটে গেল সাত বছরের শৈশব আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে: আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি আনন্দ-উৎসবে রায়পুর ১০নং ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসভা, ঢাকঢোল ও বর্ণাঢ্য মিছিলে প্রার্থীরা রায়পুরে নতুন রেললাইন স্থাপনের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরে দক্ষিণ চর আবাবিলে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমু‘র হোসেনের মনোনয়ন ফরম জমা রায়পুরে কেরোয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে জহির হাজীর মনোনয়ন জমা

রায়পুরে বর্ষায় নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে হোগলা, চাষ ছাড়াই কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস

medianewsbd / ২০০ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
Screenshot

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে বর্ষা মৌসুম এলেই প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় হোগলা (স্থানীয়ভাবে হোগল)। এ উদ্ভিদ চাষ করার প্রয়োজন হয় না। নদীর চর, খাল-বিল ও জলাভূমিতে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে ওঠে এটি। বর্ষাকালে হোগলা সংগ্রহ করে অনেক কৃষক ও চরাঞ্চলের বাসিন্দা বাড়তি আয় করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হোগলার লম্বা ও মজবুত পাতা শুকিয়ে চাটাই, মাদুর, ঝুড়িসহ বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরি করা হয়। এসব পণ্যের চাহিদা গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরেও রয়েছে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই উদ্ভিদ অনেক পরিবারের জন্য মৌসুমি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে।

শুধু পাতাই নয়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে হোগলার ফুল থেকেও উৎপন্ন হয় এক ধরনের হলুদ রঙের পরাগ, যা স্থানীয়ভাবে ‘হোগল গুঁড়া’ নামে পরিচিত। একসময় এই পরাগ দিয়ে পায়েস, পিঠা, হালুয়া ও বরফির মতো নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি করা হতো। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারের প্রচলন বর্তমানে কমে গেলেও গ্রামীণ জনপদে এখনো এর ঐতিহ্য টিকে আছে।

কৃষকদের মতে, হোগলা চাষে কোনো খরচ নেই। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গাছ সংগ্রহ করেই তারা ব্যবহার বা বিক্রি করেন। পাশাপাশি নদীর নতুন চরাঞ্চলে মাটি ধরে রাখা এবং ভূমিক্ষয় রোধেও হোগলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, হোগলা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের বাজার সম্প্রসারণ, কারিগরদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক বিপণনের ব্যবস্থা করা গেলে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি আরও লাভজনক আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা হোগলার ফুলের পরাগ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের সংস্কৃতিও সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category