লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে তেল সংকট এখনও তীব্র আকার ধারণ করে আছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) তেলের গাড়ি এলেও সংকট কাটেনি; তেল সংগ্রহের জন্য মোটরযান চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন দোকান ও পাম্পে সীমিত আকারে—প্রতি গ্রাহককে মাত্র এক লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরবরাহ কম থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং জনভোগান্তি বাড়ছেই।
অন্যদিকে, কিছু খুচরা দোকানে তেল পাওয়া গেলেও সেখানে দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অতিরিক্ত দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক ভোক্তা, যা তাদের দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এদিকে, বিশ্বের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে তেল সংকটে যানবাহন ও কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে রায়পুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সরকারের প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন। তাদের মতে, অন্তত বাংলাদেশে কিছুটা হলেও তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো ঘোষণা না থাকায় এটি স্বস্তির বিষয়।