• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মানিক, চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার আবেদন ঐক্যের মাধ্যমেই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা সম্ভব” রায়পুরে উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসভায় আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরের আলোচিত মা ও তিন মেয়ে হত্যা: তদন্তে বাড়ছে প্রশ্ন, আলোচনায় নতুন তথ্য ভারসাম্যহীন মানসিক রোগে আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসায় নগদ অর্থ পেলেন মাইকিং কর্মী আরিফ ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় দিয়ে স্বাগত-বিদায় রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক শিক্ষাগত যোগ্যতা চেয়ে হাইকোর্টের রুল রায়পুরে জেলের ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার একটু বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি খাসের হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে, পানি নিষ্কাশনের দাবি স্থানীয়দের রায়পুরে এসিল্যান্ডের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা: প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ভিডিও প্রচারের নিন্দা স্থানীয়দের

রায়পুরে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি ‘জমি মন্দিরের’

medianewsbd / ১২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৫নং চরপাতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঠাকুর বাড়ী এলাকায় জমি দখল করে মন্দির স্থাপনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জমির মালিকানা নিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও এক পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগী কাজল চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, মন্দিরের পুরোহিত ও কমিটির কয়েকজন সদস্য তার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মন্দির সম্প্রসারণের নামে গভীর রাতে জমি দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় এবং তার ছেলেকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে গোপাল গিরিধারী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুমন সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ব্রাহ্মণ সচিবালা দেবী দানকৃত প্রায় সাড়ে ৮ শতক সম্পত্তির ওপর ১৯৯৫ সালে গোপাল গিরিধারী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সম্পত্তির একটি অংশ বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট প্রায় সাড়ে ৭ শতক জমি এখনও মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে রয়েছে। ওই জমি নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাজিব বণিক বলেন, “এটি মন্দিরের জায়গা। মন্দিরের জায়গা যেন মন্দির ফিরে পায়।”

সংবাদ সংগ্রহের সময় ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “হাতাহাতির ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়রা বলছেন, জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন, যাতে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category