লক্ষ্মীপুরে প্রস্তাবিত রেলপথ ও সম্ভাব্য রেলস্টেশন স্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা, মতামত ও উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বক্তব্য দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, রায়পুর তথা লক্ষ্মীপুর-২ এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনায় যথাযথ অগ্রাধিকার না পাওয়ার যে অনুভূতি প্রকাশ করছেন, তা তিনি সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করেন। রেলস্টেশন নিয়ে জনগণের উদ্বেগ ও প্রত্যাশাও স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, রেলপথের মতো বৃহৎ জাতীয় অবকাঠামোগত প্রকল্প কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট এলাকার পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভূমি অধিগ্রহণের সুযোগ, যাত্রী চাহিদা এবং সামগ্রিক জনস্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি জানান, পূর্বে পরিচালিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় দালাল বাজার এলাকাকে সম্ভাব্য রেলস্টেশনের জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে এর অর্থ এই নয় যে অন্য এলাকার মানুষের মতামতের গুরুত্ব নেই। বরং এমন স্থান নির্বাচন করা হয়, যাতে জেলার সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, রায়পুরের জনগণ যদি মনে করেন যে সেখানে রেলস্টেশন স্থাপন অধিক যৌক্তিক এবং এতে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে, তাহলে সেই দাবি যথাযথভাবে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা যদি পরবর্তীতে মনে করেন যে রায়পুরই রেলস্টেশনের জন্য অধিক উপযোগী ও বাস্তবসম্মত স্থান, তাহলে সেই বিষয়টিও বিবেচনায় আসবে।