• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বান্দরবানের মং সু চিং মার্মার কৃষি সাফল্য, এলাকাজুড়ে প্রশংসা পূর্ব সাগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে বাধা, মানববন্ধন এলাকাবাসীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনা, সংঘাত নিরসনে মানবিক ভূমিকা রাখলেন মাওলানা হেলাল উদ্দিন রায়পুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি লীজ নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ লক্ষ্মীপুরসহ দেশের আকাশে রহস্যময় আলোকরশ্মি: ব্যালিস্টিক মিসাইল নাকি ধূমকেতু? রায়পুরে মাসিক কর্মমূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ দুই পুলিশ কর্মকর্তা জেলায় সম্মানিত চরবংশীতে ফারুক কবিরাজের উদ্যোগে স্থাপন হচ্ছে ১০০ ডিপ টিউবওয়েল রায়পুরে জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, একই পরিবারের ৫ জন আহত খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) সদস্যকে গুলি করে হত্যা লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা

medianewsbd / ৪০৩ Time View
Update : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উন্নয়ন ব্যয় সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামলেও ঋণের লাগাম টানা যায়নি। ১৪ মাসে দেশের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার মেগা প্রকল্প থেকে সরে এসে উন্নয়ন ব্যয় কমালেও রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আগের ঋণের কিস্তি পরিশোধ, পরিচালন ব্যয় এবং সীমিত রাজস্ব প্রবাহের কারণে নতুন করে ঋণ নিতে হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে গত অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক পরিসর সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং ঋণ ছাড়া সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে যায়।

সরকারি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক উৎস থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কিস্তি ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে ৩৪৪ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়, যেখানে আগের অর্থবছরে ছিল ২০০ কোটি ডলার।

১৪ মাসে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশের মোট ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা।

সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য যুক্ত হলে মোট ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যয়সংযম ছাড়া ঋণনির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

সুত্র


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category