লক্ষ্মীপুরের রায়পুর নতুন বাজারের গরুর হাট নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা। বিগত বছরগুলোতে নতুন বাজারের আশরাফগঞ্জ এলাকায় নিয়মিতভাবে গরুর হাট বসে আসলেও, চলতি বছরে চলমান উন্নয়নমূলক কাজ ও সড়ক নির্মাণের কারণে হাটের কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন রায়পুরের গরুর ব্যবসায়ীরা। কোরবানির ঈদের আর মাত্র ২১ দিন বাকি থাকায় দ্রুত হাট চালুর বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসায় অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের কারণে গত বছর ইজারাদারদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। ফলে অনেকেই মনে করছেন, ইজারা না দিয়ে সরাসরি পৌরসভার খাস কালেকশনের মাধ্যমে হাট পরিচালনা করা হলে ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তি পাবেন এবং কম খরচে গরু কেনাবেচা করতে পারবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান কাউসার বলেন, নতুন বাজার এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকায় এ বছর এখনো কেউ হাটের ইজারা নেয়নি। তাই পৌরসভার পক্ষ থেকে খাস কালেকশনের মাধ্যমে হাট বসানোর চেষ্টা করা হবে।
এছাড়া নতুন বাজার খেজুরতলা থেকে শুরু করে রাস্তার দুই ধারে বিকল্পভাবে গরুর হাট বসানো যেতে পারে বলে মনে করেন স্থানীয় গরুর ব্যবসায়ী লিটন।
স্থানীয়দের দাবি স্থায়ীভাবে রায়পুর বাজারে একটি গরুরছাগলের হাট ব্যবস্থা করার খুব জরুরী হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি কোনো কারণে হাট বসানো সম্ভব না হয়, তবে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দ্রুত হাট সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হাট চালু করা গেলে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।