• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে জেলের ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার একটু বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি খাসের হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে, পানি নিষ্কাশনের দাবি স্থানীয়দের রায়পুরে এসিল্যান্ডের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা: প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ভিডিও প্রচারের নিন্দা স্থানীয়দের মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা রায়পুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক রায়পুরে দুই ফার্মেসিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, নিয়মিত অভিযানের দাবি স্থানীয়দের রায়পুরে দোকান নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, রায়পুর থানায় অভিযোগ চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় বন্যা-পাহাড়ধসে নিহত ৪৩, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮.৭ লাখ মানুষ লক্ষ্মীপুরে ৯ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রায়পুরে ইউনিয়ন যুবদলের সম্মেলন প্রস্তুতি সভা, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ১০ ইউনিয়নে সম্মেলনের সূচি ঘোষণা

গাজায় থার্মাল অস্ত্রের ভয়াবহতা: আল জাজিরার অনুসন্ধানে ‘বাষ্পীভূত’ অন্তত ২,৮৪২ ফিলিস্তিনি

medianewsbd / ৫০৩ Time View
Update : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজারো ফিলিস্তিনির দেহাবশেষের কোনো চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না—এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত থার্মাল ও থার্মোবারিক (ভ্যাকুয়াম) অস্ত্র ব্যবহারের ফলে প্রায় তিন হাজার ফিলিস্তিনির দেহ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে বা বাষ্পীভূত হয়ে গেছে।

২০২৪ সালের ১০ আগস্ট ভোরে গাজা শহরের আল-তাবিন স্কুলে ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপে ছেলেকে খুঁজতে বের হন ইয়াসমিন মাহানি। কিন্তু কোথাও পাননি তার সন্তান সাদকে। মাহানি বলেন, ‘আমি মসজিদে ঢুকে দেখি রক্ত আর মাংসের ওপর পা পড়ছে। কিন্তু সাদের দেহাবশেষের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাইনি।’ দাফনের মতো নিথর দেহের কোনো অংশ না পাওয়াটাই ছিল সবচেয়ে কষ্টের।

আল জাজিরা আরবির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজার সিভিল ডিফেন্স অন্তত ২ হাজার ৮৪২ জন ফিলিস্তিনিকে ‘বাষ্পীভূত’ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় রক্তের ছিটা বা অল্প কিছু দেহাবশেষ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, ‘আমরা লক্ষ্যবস্তু ভবনে প্রবেশ করে বসবাসকারীর সংখ্যা ও উদ্ধার হওয়া মরদেহ মিলিয়ে দেখি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও যদি কোনো দেহ না পাওয়া যায়, তখন তাকে “বাষ্পীভূত” বা বাতাসে মিশে গেছে বলে ধরে নেওয়া হয়।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্মোবারিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ৩ হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ সৃষ্টি হয়। রুশ সামরিক বিশ্লেষক ভাসিলি ফাতিগারভ বলেন, ‘এই অস্ত্র শুধু হত্যা করে না, বস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।’ এসব বোমায় অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো ধাতু ব্যবহারে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. মুনির আল-বুরশ বলেন, ‘মানবদেহের প্রায় ৮০ শতাংশই পানি। ৩ হাজার ডিগ্রির বেশি তাপ ও প্রচণ্ড চাপে দেহের তরল অংশ সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠে এবং কোষ বাষ্পে পরিণত হয়।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এমকে-৮৪, বিএলইউ-১০৯ ও জিবিইউ-৩৯–এর মতো বোমা ব্যবহৃত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব অস্ত্রের ব্যবহার গাজায় মানবিক বিপর্যয়কে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

আলজাজিরা:-

https://www.aljazeera.com/features/2026/2/10/israel-used-weapons-in-gaza-that-made-thousands-of-palestinians-


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category