মানুষের বিপদের মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানোই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়। সেই মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত এক রোগীর হিমোগ্লোবিন নেমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৫.৪। জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ছিল বি পজিটিভ (B+) রক্ত। এমন সংকটময় পরিস্থিতির খবর পেয়ে নিজের দায়িত্ব ও ব্যস্ততার কথা ভুলে রোগীর পাশে দাঁড়াতে ছুটে যান রায়পুর থানার ওসি। তিনি জনসেবা হাসপাতালে গিয়ে নিজেই রক্তদান করে অসহায় রোগীর জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
পুলিশের পোশাকে সাধারণত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেলেও এদিন তাঁর অন্য এক মানবিক রূপ দেখেছেন হাসপাতালের উপস্থিত মানুষজন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের রক্ত দেওয়া—নিঃসন্দেহে এটি প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয় উদ্যোগ।
ওসির এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে রোগীর স্বজনদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। একই সঙ্গে উপস্থিত অনেকেই তাঁর এই উদ্যোগকে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এক ব্যাগ রক্ত হয়তো একজনের কাছে সামান্য, কিন্তু একজন মুমূর্ষু রোগীর কাছে সেটিই হতে পারে বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়। আর সেই আশ্রয় হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন রায়পুর থানার ওসি।
মানবতার এই সুন্দর দৃষ্টান্তের জন্য তাঁকে জানানো হয়েছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ। রোগীর দ্রুত সুস্থতা এবং রক্তদাতার সুস্বাস্থ্য কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রক্ত দিন, জীবন বাঁচান—মানবতার পাশে দাঁড়ান।