শিরোনাম:
সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যানের পক্ষে বিএনপির দলীয় ফরম সংগ্রহ রায়পুরে বিএনপি থেকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফারুক হোসেন সুমন নতুন বাজারে ড্রাম ট্রাকের তাণ্ডব: নৈশকালীন আতঙ্কে এলাকাবাসী, কাঁপছে ভবন রায়পুর নতুনবাজার খেজুরতলা নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে । চ্যাম্পিয়ন দেনায়েতপুর একাদশ রানার্সআপ মোহাম্মদ একাদশ। রায়পুর ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী দুঃসময়ে মাঠে থাকার সাবেক ছাত্রনেতা ইব্রাহিম খলিল রায়পুরে দুই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পরোয়ানা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রায়পুরে অবৈধ পালার ফ্যাক্টরিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে নবাব বিরিয়ানি হাউজের তৃতীয় শাখার উদ্বোধন, ৫ দিন ৩০ শতাংশ ছাড় রায়পুরে ১১ বসত ঘর পুড়ে ছাই, অভিযুক্তকে গনপিটুনি ৩৮তম মানবিক উদ্যোগ: রায়পুরে অসুস্থ শিশুর পরিবারকে যুব সংগঠনের অর্থ সহায়তা

রায়পুরে বর্ষায় নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে হোগলা, চাষ ছাড়াই কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস

medianewsbd / ১৬৮ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
Screenshot

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে বর্ষা মৌসুম এলেই প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় হোগলা (স্থানীয়ভাবে হোগল)। এ উদ্ভিদ চাষ করার প্রয়োজন হয় না। নদীর চর, খাল-বিল ও জলাভূমিতে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে ওঠে এটি। বর্ষাকালে হোগলা সংগ্রহ করে অনেক কৃষক ও চরাঞ্চলের বাসিন্দা বাড়তি আয় করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হোগলার লম্বা ও মজবুত পাতা শুকিয়ে চাটাই, মাদুর, ঝুড়িসহ বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরি করা হয়। এসব পণ্যের চাহিদা গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরেও রয়েছে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই উদ্ভিদ অনেক পরিবারের জন্য মৌসুমি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে।

শুধু পাতাই নয়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে হোগলার ফুল থেকেও উৎপন্ন হয় এক ধরনের হলুদ রঙের পরাগ, যা স্থানীয়ভাবে ‘হোগল গুঁড়া’ নামে পরিচিত। একসময় এই পরাগ দিয়ে পায়েস, পিঠা, হালুয়া ও বরফির মতো নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি করা হতো। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারের প্রচলন বর্তমানে কমে গেলেও গ্রামীণ জনপদে এখনো এর ঐতিহ্য টিকে আছে।

কৃষকদের মতে, হোগলা চাষে কোনো খরচ নেই। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গাছ সংগ্রহ করেই তারা ব্যবহার বা বিক্রি করেন। পাশাপাশি নদীর নতুন চরাঞ্চলে মাটি ধরে রাখা এবং ভূমিক্ষয় রোধেও হোগলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, হোগলা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের বাজার সম্প্রসারণ, কারিগরদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক বিপণনের ব্যবস্থা করা গেলে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি আরও লাভজনক আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা হোগলার ফুলের পরাগ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের সংস্কৃতিও সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category