শিরোনাম:
রায়পুরে পৈতৃক সুপারি বাগান নিয়ে বিরোধ: দুই কলেজশিক্ষার্থী ভাই-বোনসহ মাকে মারধরের অভিযোগ রায়পুরে প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচর্যায় দুই দিনব্যাপী কেয়ারগিভার্স প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শাসনের নামে বর্বরতা! রায়পুরে ছেলেকে ইট দিয়ে মাথা ফাটানোর অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রায়পুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বস্ত্র উপহার দিলেন এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরে অসহায় নারীর চোখের চিকিৎসায় যুব সংগঠনের ৩৯তম অনুদান প্রদান রায়পুরে মন্দিরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ডেকোরেটর কর্মীর মৃত্যু সঠিক প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলে ২৭ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তহশিলদারের বিরুদ্ধে রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস আত্মসাতকৃত ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা রায়পুরের কাঁটাতারের বেড়ায় সংকুচিত হাঁটার পথ, ভোগান্তিতে প্রায় ৩৫ পরিবার রায়পুরে কেরোয়ায় শিক্ষার্থীদের দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

রায়পুরে বর্ষায় নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে হোগলা, চাষ ছাড়াই কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস

medianewsbd / ২৫৪ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
Screenshot

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে বর্ষা মৌসুম এলেই প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় হোগলা (স্থানীয়ভাবে হোগল)। এ উদ্ভিদ চাষ করার প্রয়োজন হয় না। নদীর চর, খাল-বিল ও জলাভূমিতে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে ওঠে এটি। বর্ষাকালে হোগলা সংগ্রহ করে অনেক কৃষক ও চরাঞ্চলের বাসিন্দা বাড়তি আয় করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হোগলার লম্বা ও মজবুত পাতা শুকিয়ে চাটাই, মাদুর, ঝুড়িসহ বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরি করা হয়। এসব পণ্যের চাহিদা গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরেও রয়েছে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই উদ্ভিদ অনেক পরিবারের জন্য মৌসুমি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে।

শুধু পাতাই নয়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে হোগলার ফুল থেকেও উৎপন্ন হয় এক ধরনের হলুদ রঙের পরাগ, যা স্থানীয়ভাবে ‘হোগল গুঁড়া’ নামে পরিচিত। একসময় এই পরাগ দিয়ে পায়েস, পিঠা, হালুয়া ও বরফির মতো নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি করা হতো। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারের প্রচলন বর্তমানে কমে গেলেও গ্রামীণ জনপদে এখনো এর ঐতিহ্য টিকে আছে।

কৃষকদের মতে, হোগলা চাষে কোনো খরচ নেই। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গাছ সংগ্রহ করেই তারা ব্যবহার বা বিক্রি করেন। পাশাপাশি নদীর নতুন চরাঞ্চলে মাটি ধরে রাখা এবং ভূমিক্ষয় রোধেও হোগলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, হোগলা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের বাজার সম্প্রসারণ, কারিগরদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক বিপণনের ব্যবস্থা করা গেলে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি আরও লাভজনক আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা হোগলার ফুলের পরাগ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের সংস্কৃতিও সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category