শিরোনাম:
রায়পুর এলএম পাইলটের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার ### লক্ষ্মীপুরে মাংস ও পশুখাদ্যের দোকানে মোবাইল কোর্ট, ৭ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা এসএসসি ফলাফলে রায়পুরে প্রথম এলএম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় রায়পুরে ৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, সড়কে পড়ে থাকা ২২০ পিস উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সেমিনার ও মৃত্যু দাবি চেক প্রদান সংবাদ প্রকাশের পর চরকাচিয়ায় অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযান, কারাদণ্ড-জরিমানা লিগ্যাল নোটিশের পরও জমি দখলের অভিযোগ, রায়পুরে দুই পরিবারের সংঘর্ষে আহত ৭ রায়পুরে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, সভাপতি তপন ভক্ত ও সম্পাদক প্রদীপ রায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা সভা আবুল খায়ের ভূঁইয়া

রায়পুরে বর্ষায় নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে হোগলা, চাষ ছাড়াই কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস

medianewsbd / ৮৩ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
Screenshot

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে বর্ষা মৌসুম এলেই প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় হোগলা (স্থানীয়ভাবে হোগল)। এ উদ্ভিদ চাষ করার প্রয়োজন হয় না। নদীর চর, খাল-বিল ও জলাভূমিতে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে ওঠে এটি। বর্ষাকালে হোগলা সংগ্রহ করে অনেক কৃষক ও চরাঞ্চলের বাসিন্দা বাড়তি আয় করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হোগলার লম্বা ও মজবুত পাতা শুকিয়ে চাটাই, মাদুর, ঝুড়িসহ বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরি করা হয়। এসব পণ্যের চাহিদা গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি শহরেও রয়েছে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই উদ্ভিদ অনেক পরিবারের জন্য মৌসুমি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে।

শুধু পাতাই নয়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে হোগলার ফুল থেকেও উৎপন্ন হয় এক ধরনের হলুদ রঙের পরাগ, যা স্থানীয়ভাবে ‘হোগল গুঁড়া’ নামে পরিচিত। একসময় এই পরাগ দিয়ে পায়েস, পিঠা, হালুয়া ও বরফির মতো নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি করা হতো। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারের প্রচলন বর্তমানে কমে গেলেও গ্রামীণ জনপদে এখনো এর ঐতিহ্য টিকে আছে।

কৃষকদের মতে, হোগলা চাষে কোনো খরচ নেই। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গাছ সংগ্রহ করেই তারা ব্যবহার বা বিক্রি করেন। পাশাপাশি নদীর নতুন চরাঞ্চলে মাটি ধরে রাখা এবং ভূমিক্ষয় রোধেও হোগলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, হোগলা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের বাজার সম্প্রসারণ, কারিগরদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক বিপণনের ব্যবস্থা করা গেলে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি আরও লাভজনক আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা হোগলার ফুলের পরাগ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবারের সংস্কৃতিও সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category