• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরে ৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, সড়কে পড়ে থাকা ২২০ পিস উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সেমিনার ও মৃত্যু দাবি চেক প্রদান সংবাদ প্রকাশের পর চরকাচিয়ায় অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযান, কারাদণ্ড-জরিমানা লিগ্যাল নোটিশের পরও জমি দখলের অভিযোগ, রায়পুরে দুই পরিবারের সংঘর্ষে আহত ৭ রায়পুরে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, সভাপতি তপন ভক্ত ও সম্পাদক প্রদীপ রায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা সভা আবুল খায়ের ভূঁইয়া রায়পুরে যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মোবাইলে বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ, ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অপপ্রচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন রায়পুরে বর্ষায় নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে হোগলা, চাষ ছাড়াই কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা

medianewsbd / ৬১০ Time View
Update : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উন্নয়ন ব্যয় সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামলেও ঋণের লাগাম টানা যায়নি। ১৪ মাসে দেশের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার মেগা প্রকল্প থেকে সরে এসে উন্নয়ন ব্যয় কমালেও রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আগের ঋণের কিস্তি পরিশোধ, পরিচালন ব্যয় এবং সীমিত রাজস্ব প্রবাহের কারণে নতুন করে ঋণ নিতে হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে গত অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক পরিসর সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং ঋণ ছাড়া সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে যায়।

সরকারি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক উৎস থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কিস্তি ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে ৩৪৪ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়, যেখানে আগের অর্থবছরে ছিল ২০০ কোটি ডলার।

১৪ মাসে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশের মোট ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা।

সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য যুক্ত হলে মোট ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যয়সংযম ছাড়া ঋণনির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

সুত্র


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category